Skip to main content

Subject Review : Building Engineering & Construction Management (BECM)

Subject Review : Building Engineering & Construction Management (BECM)
কারো পছন্দ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ,আবার কারো পছন্দ আর্কিটেকচার । কিন্তু এমনকোন সাবজেক্ট যদি হতো যেটায় দুটোরই স্বাদ পাওয়া যায়। ঠিক সেই সাবজেক্টটিই BECM.

BECM কি?
Building Engineering & Construction Management (BECM)
সাবজেক্টটি Civil Engineering, Architecture & Management এরমেলবন্ধন। নামের সাথে মিল রেখেই একজন বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ার এর কাজ বিল্ডিং সম্পর্কিত। বিল্ডিংয়ের সমস্ত কাজ অর্থাৎ ডিজাইন থেকে শুরু করে কন্সট্রাকশন , পুরো কাজ নিয়ন্ত্রণ – যত কাজ আছে সব। অর্থাৎ একজন Building Engineer একটি বিল্ডিং প্রজেক্টের সম্পূর্ণ কাজের পুরোধা।

Purposes of BECM:
জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মাথাপিছু জমির পরিমাণ চলছে। সেই সাথে নগরায়নের হার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই সবাই আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন এবং পরিবেশ বান্ধব বহুতল ভবন চাইছে। এ থেকেই BECM এর কনসেপ্টের শুরু। BECM ইঞ্জিনিয়ারই দিতে পারে সম্পূর্ণ বিল্ডিং সলিউশন তথা প্ল্যানিং, ডিজাইন, কন্সট্রাকশন, পুরো প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, পাশাপাশি চারিপাশের পরিবেশের ক্ষতি করবে না ও সমাজ ব্যবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে এমন বিল্ডিং। যেহেতু বিল্ডিংয়ের ডিজাইন নির্ধারণ, বাস্তবায়ন ও নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ন একজন বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ার এর হাতে, সেহেতু ইঞ্জিনিয়ার তার ইচ্ছে মত ডিজাইন পরিমার্জন, পরিবর্ধন করে বিল্ডিংকে আরো cost efficient করতে পারে। সেই সাথে সম্পূর্ণ কাজের ব্যবস্থাপনা করাও বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ার এর কাজ। এ থেকেই BECM এর শুরু।

BECM এ কি পড়ানো হয়?
BECM এ Civil Engineering এর কোর্র্সের সাথে সাথে Building Engineering এরcore course (Architecture & MEP) পড়ানোহয়। BECM এর Core Course -Architecture, Systems Modeling, Building Science , Acoustics, Building Envelope System etc. পড়ানোহবে।
এছাড়াও
#Civil_Engineering: বিল্ডিং স্ট্রাকচারও ফাউন্ডেশন বিশ্লেষন, কন্সট্রাকশন, মেইন্টেনেন্স, সেফটি সিস্টেম এর জন্য
#Architecture: বিল্ডিং প্ল্যানিং,ডিজাইনিং এবং প্রযুক্তিগত, শিল্পরুচিসম্মত বিল্ডিংয়ের জন্য।
#Project_Management: চাহিদার উপরনির্ভর করে বাস্তবসম্মত বিল্ডিং প্রজেক্ট নির্বাচন, বাজেটিং, লোক নিয়োগ, পুরো প্রজেক্ট এর সমগ্র ব্যবস্থাপনার জন্য।
#Mechanical_Engineering: HVAC system ও মেকানিক্যাল সার্ভিস সিস্টেমের জন্য।
#Electrical_Engineering: পাওয়ারডিস্ট্রিবিউশন ও ইলেক্ট্রিকাল সিস্টেম স্থাপনের জন্য।
এছাড়াও Fire Engineering, Wind Engineering (Aerodynamics), Earthquake (ভূমিকম্প) Engineering পড়ানো হবেই

What is the work of a Building Engineer?
Building Engineer এরকাজ কি শুধুই বিল্ডিং ডিজাইন ও কন্সট্রাকশনে সীমাবদ্ধ?
মোটেও না! একজন Building Engineer যেমন building design& construction এরসাথে building এর বিভিন্ন systems - fire safety, lightning, venting, sustainability, heavy wind control, HAVC system etc. design করে । অর্থাৎ বাড়িরসকল আধুনিক সিস্টেম design একজন Building Engineer এর হাতে। বাড়ি সংক্রান্ত সকল Electrical &Mechanical solution একজনBuilding Engineer একাইদিতে পারে।
এছাড়া বিভিন্ন structure based Interior Design এরকাজও করে থাকে একজন Building Engineer.

Higher Studies:
উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রে Architecture কিংবা Structural Engineering এ তোমরা সহজেই উচ্চতর ডিগ্রী নিতে পারবে। এছাড়াও দেশের বাইরে Architectural Engineering কিংবা Building Engineering এরউপর উচ্চতর ডিগ্রী নেয়ার সুযোগ আছে। বিশ্বের নামকরা ইউনিভার্সিটিগুলোতে এমনকি MIT তেও গ্র্যাজুয়েশন শেষে তুমি Architecture কিংবা Building Technologyতে মাস্টার্স ও পিএইচডি করতে পারবে।

Job facilities:
যে হারে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি বাড়ছে এবং সরকারি ক্ষেত্রেও এ সেক্টরে সুযোগ বাড়ছে, সেহেতু তোমাদের চাকরি নিয়ে টেনশন করার কিছু নেই। নিশ্চয়ই চাকরির ক্ষেত্রে একজন স্পেশালাইজড্ বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ার অগ্রাধিকার পাবে, কেননা সে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আর্কিটেকচার দুটোতেই পারদর্শী । আবার দেশেরবাইরে যেমন USA তে আর্কিটেকচার ও বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ার একত্রে কাজ করে। ইউরোপীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে একজন বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ার পুরোদস্তুর আর্কিটেকচারের মতো কাজ করে। সেক্ষেত্রে বুঝতেই পারছো এ
সাবজেক্টে জবে কেমন ডিমান্ড। আর তাছাড়াও সাবজেক্টটি কুয়েটেই আছে শুধু, সেক্ষেত্রে চাকরিতে তোমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী তোমরাই।

একটা common প্রশ্ন ও উত্তর:
# আঁকাআঁকির হাত ভালো না হলে কি এ সাবজেক্ট নেয়া উচিত?
উত্তর: দেখো আসলে আর্কিটেকচার আছে জেনে আমরাও প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম। আর্কিটেকচার ড্রয়িং পারবো কিনা! প্রথমে কষ্ট হলেও
পরে মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়নি। তাই আকাঁআকিঁর হাত খুব ভালো না হলেও তুমি নিঃসংকোচে BECM নিতে পারো।

Comments

আরও দেখুন

লোহার জাহাজ ভাসে কেন ?

লোহার জাহাজ ভাসে কেন ? যদি বস্তুর ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল পদার্থের ওজনের চেয়ে বেশী হলে বস্তুটি তরলে ডুবে  যাবে এবং বস্তুর ওজনের চেয়ে বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল পদার্থের ওজন বেশী হলে বস্তুটি তরলে ভেসে থাকবে। তাহলে লোহার টুকরা পানিতে ভাসবে না কেননা লোহার টুকরা দ্বারা অপসারিত পানির ওজন লোহার টুকরার চেয়ে অনেক কম। লোহার জাহাজের ভিতরটা ফাঁপা বলে জাহাজ যে আয়তনের পানি অপসারণ করে তার ওজন জাহাজের ওজনের চেয়ে বেশী। তাই লোহার জাহাজ পানিতে ভাসে।     

ইসলামে তালাকের নিয়ম কি মেয়েদের জন্য ক্ষতিকর?

 না, ইসলামে তালাকের নিয়ম মেয়েদের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং এটি উভয় লিঙ্গের জন্য, বিশেষ করে নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি ব্যবস্থা। ইসলামে তালাক এমন একটি চূড়ান্ত পদক্ষেপ যা কেবলমাত্র অপরিহার্য পরিস্থিতিতেই অনুমোদিত। ইসলামে বিবাহ একটি পবিত্র বন্ধন এবং তা টিকিয়ে রাখার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তালাককে "আল্লাহর কাছে সবচেয়ে অপছন্দনীয় হালাল" বলে অভিহিত করা হয়েছে। ইসলামে তালাকের বিধান নারীদের প্রতি কোনো প্রকার বৈষম্যমূলক নয়, বরং তাদের কিছু বিশেষ অধিকারও রয়েছে। যেমন: খুলা: যদি একজন স্ত্রী তার স্বামীর সাথে থাকতে না চান এবং সম্পর্কের মধ্যে অসন্তুষ্ট থাকেন, তাহলে তিনি 'খুলা'-এর মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ চাইতে পারেন। এক্ষেত্রে তিনি স্বামীকে তার প্রদত্ত মোহর ফিরিয়ে দিতে পারেন বা অন্য কোনো শর্তে বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারেন। এটি নারীর স্বেচ্ছায় বিবাহ বন্ধন থেকে বেরিয়ে আসার একটি উপায়। কোর্ট বা সালিশের মাধ্যমে তালাক: যদি স্বামী তালাক দিতে রাজি না হয় বা স্ত্রীর উপর অবিচার করে, তবে স্ত্রী শরীয়াহ আদালত বা সালিশ বোর্ডের মাধ্যমে তালাক দাবি করতে পা...

তাহাজ্জুদের সিজদায় পড়ার বিশেষ দোয়া

 সিজদা হলো আল্লাহর সাথে বান্দার সবচেয়ে নিকটবর্তী হওয়ার মুহূর্ত। আর তাহাজ্জুদের সিজদা হলো সেই নৈকট্যের গভীরতম পর্যায়। যখন রাতের নিস্তব্ধতায় весь পৃথিবী ঘুমিয়ে থাকে, তখন একজন মুমিন তার প্রভুর সামনে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে। এই অন্তরঙ্গ মুহূর্তে কী বলে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলে তা সবচেয়ে সুন্দর হয়? চলুন, আমরা হাদিসের পাতা থেকে জেনে নিই এমন একটি বিশেষ দোয়া সম্পর্কে, যা স্বয়ং আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর তাহাজ্জুদের সিজদায় পাঠ করতেন। সেই রাতের ঘটনা: আয়েশা (রা.) যা দেখলেন উম্মুল মুমিনিন হযরত আয়েশা (রা.) এই দোয়াটির প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেছেন। হাদিসটি পড়লে সেই মুহূর্তের পবিত্রতা এবং রাসূল (সা.)-এর বিনয় অন্তরে অনুভূত হয়। তিনি বলেন, একদিন রাতে আমি ঘুম থেকে জেগে রাসূল (সা.)-কে বিছানায় পেলাম না। আমি ভাবলাম, তিনি হয়তো অন্য কোনো স্ত্রীর কক্ষে গিয়েছেন। আমি তাঁকে খুঁজতে লাগলাম। হঠাৎ আমার হাত তাঁর দুই পায়ের ওপর পড়ল। তিনি তখন সিজদারত ছিলেন এবং তাঁর পা দুটি খাড়া ছিল। সেই অবস্থায় তিনি বিনয়ের সাথে আল্লাহর কাছে এই দোয়াটি পাঠ করছিলেন। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৪৯৩; সহিহ ...

কেন তাহাজ্জুদ পড়বেন? জেনে নিন এর ৭টি অসামান্য গুরুত্ব ও ফজিলত

 গভীর রাতের নিস্তব্ধতায় যখন পুরো পৃথিবী ঘুমিয়ে পড়ে, তখন আপনার সামনে খুলে যায় আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক গোপন দরজা। সেই দরজার নাম ‘সালাতুত তাহাজ্জুদ’। এটি কেবল একটি নফল নামাজ নয়, বরং এটি মহান রবের সাথে একান্তে কথোপকথন, নিজের চাওয়া-পাওয়া তুলে ধরার এবং আত্মিক শক্তি অর্জনের এক বিশেষ মুহূর্ত। অনেকেই জানেন তাহাজ্জুদ পড়া অনেক সওয়াবের কাজ, কিন্তু এর গভীরে কী কী রহস্য ও গুরুত্ব লুকিয়ে আছে? চলুন, জেনে নিই এমন ৭টি কারণ যা আপনাকে তাহাজ্জুদ আদায়ে অনুপ্রাণিত করবে। ১. আল্লাহর সাথে সরাসরি কথোপকথনের সুযোগ দিনের ব্যস্ততায় আমাদের মন নানা দিকে বিক্ষিপ্ত থাকে। কিন্তু রাতের নিস্তব্ধতায় মন থাকে স্থির। এই সময়ে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের সবচেয়ে কাছে চলে আসেন। এটি শুধু কোনো আধ্যাত্মিক ধারণা নয়, বরং সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “আমাদের রব প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন: কে আছে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আছে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে তা দান করব? কে আছে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আমি তাকে ক্ষমা করে দেব?” (সহিহ বুখারি ও মুসলিম) ভা...

মেয়েদের কি বাইরে কাজ করার অনুমতি আছে?

 হ্যাঁ, ইসলামে মেয়েদের বাইরে কাজ করার অনুমতি আছে, তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে। ইসলামে নারীর প্রধান দায়িত্ব তার পরিবার ও সন্তানের প্রতি, তবে এর অর্থ এই নয় যে তারা বাইরের যেকোনো কাজ থেকে সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত। কুরআন বা সুন্নাহতে এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই যা নারীকে ঘর থেকে বের হয়ে কাজ করা থেকে বিরত রাখে। বরং, প্রয়োজনের তাগিদে বা সমাজের কল্যাণে নারীরা কাজ করতে পারেন। এর প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো, কাজের পরিবেশ ইসলামিক শরীয়াহ অনুযায়ী হতে হবে। অর্থাৎ, কর্মক্ষেত্রে পর্দা বজায় রাখতে হবে এবং বেপর্দা অবস্থায় পুরুষদের সাথে অবাধ মেলামেশা থেকে বিরত থাকতে হবে। নারী যখন বাইরে কাজ করেন, তখন তাকে অবশ্যই শালীন পোশাক পরিধান করতে হবে এবং এমনভাবে চলাফেরা করতে হবে যাতে ফিতনার সৃষ্টি না হয়। কর্মক্ষেত্রে পুরুষ সহকর্মীদের সাথে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কথা বলা বা হাসি-ঠাট্টা করা থেকে বিরত থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, কাজটি অবশ্যই হালাল হতে হবে। সুদভিত্তিক কোনো কাজ, মদ বা শূকরের মাংস সম্পর্কিত কোনো কাজ, অথবা এমন কোনো কাজ যা ইসলামের মৌলিক নীতির পরিপন্থী, তা নারীদের জন্য জায়েজ নয়। তৃতীয়ত, পরিবারের অধিকার ও দায়িত্ব যেন ক্...