Skip to main content

টেক্সটাইল মেশিনারি ডিজাইন এন্ড মেইনটেন্যান্স Subject Review:

টেক্সটাইল মেশিনারি ডিজাইন এন্ড মেইনটেন্যান্স

এটি বুটেক্স এর একটি অন্যতম প্রধান সাবজেক্ট। টেক্সটাইল এর মাদার সাবজেক্ট গুলোর একটি হলো এটি। ।টেক্সটাইল হলো একটা উৎপাদন মুখী শিক্ষা ব্যাবস্থা।এখানে মেশিন সম্পর্কে যার নলেজ যত বেশি থাকবে তার পাওয়ার তত বেশি হবে। টেক্সটাইল মিলগুলো তে এর রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।

আমাদের দেশে প্রচুর বিদেশি ইঞ্জিনিয়ার রয়েছে, কারণ মেশিন সম্পর্কে আমাদের নলেজ কম,তাই আমাদের আয়ের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ বিদেশে চলে যাচ্ছে।

কেন আমরা এই সাবজেক্ট বাছাই করব?

বিদেশিরা ইঞ্জিনিয়ার বলতে বুঝে সে টেক্সটাইল এর সব কিছু জানবে,তোমার কোন একটা সাবজেক্টে জানলেই হবে না। তাদের সাথে পাল্লা দিতে হলে এই ডিপার্টমেন্টের কোন বিকল্প নাই। এই সাবজেক্টেই যন্ত্র প্রকৌশলের, পাশাপাশি, মেশিন পার্টস, মেশিন টুলস,ও মেশিন বডির যাবতীয় ডিজাইন, এবং টেক্সটাইলের যাবতীয় বিষয় গুলো রয়েছে। যদি তুৃমি যা পড়ছ, তা চোখের সমানে থেকে সরাসরি দেখতে চাও, যদি মেশিনের রোলারএর ঘুর্ণন এ তোমার অনুসন্ধি চোখে কৌতুহল জাগায়,যদি তোমার মনে নতুনত্বের আবির্ভাব ঘটে, যদি তোমার মনে বৈচিত্রের আনন্দ থাকে, একজন সফল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাও, তাহলে MDM আছে তোমারই অপেক্ষায়।

এটা মুলত একটা মেকানিক্যাল বেজড সাবজেক্ট। টেক্সটাইল এর সাথে মেকানিকাল ও ইলেকট্রিকাল এর কম্বিনেশন একে দিয়েছে নতুন মাত্রা।যেহেতু টেক্সটাইল এর সব মেশিন এর আন্ডারে, তাই অন্যদের থেকে পড়তে হবে বেশি এবং জানবে ও বেশি। অর্থাৎ একটু পরিশ্রম করতে হবে। ভালো কিছু পেতে হলে কষ্টতো একটু করতেই হবে। এর সিলেবাসে রয়েছে
ইঞ্জিনিয়ারস ডায়েরী - Engineers Diary
১.টেক্সটাইল প্রসেস & মেশিনারি

২.EEE

৩.মেশিন মেটালার্জি

৪. ইঞ্জিনিয়ারিং মেকানিকস

৫.ইউটিলিটি মেশিনারি

৬.মেশিন প্রডাকশন

৭.মেশিন কনট্রোল ইঞ্জিনিয়ারিং

৮. মেশিন ড্রইং

৯.yarn, fabric,apparel, wet processing মেশিনারি মেইন্টেন্যান্স।

আর সাথে তো টেক্সটাইল আছেই….

কাজ :

টেক্সটাইল মেইন্টেনেন্স ডিপার্টমেন্ট দুই ভাগে বিভক্ত ::

১. মেকানিকাল

২. ইলেক্ট্রিক্যাল

মেকানিকাল এর কাজ : ১।নতুন মেশিন সেট আপ করা, ইরেকশান করা

২।মেশিনের পার্টস (ভালব,গিয়ার,রোলার, চেইন…) দেখাশোনা করা।

৩.মাঝে মাঝে ট্রলি,ব্যাচার ঠিক করা, মেশিন ওয়েলিং করা।

৪.ওয়ার্কশপে মেশিন পার্টস তৈরি করা

ইলেক্ট্রিকালের কাজ: ১.ওয়ারিং করা

২.জেনারেটর এর কাজ করা

৩.মটর এর কাজ (বাধাই ও ঠিক করা)

৪. ইনভার্টার বা কন্ট্রোল পেনেল ঠিক করা।
ইঞ্জিনিয়ারস ডায়েরী - Engineers Diary
জব : সুবিধা :

টেক্সটাইল মিলে মেইন্টেনেন্স ডিপার্টমেন্ট এ চাকরি করা, আর ফিউচার??? বাস্তবতার আলোকে বলি, তা হলো আমরা এক মিল ভিজিটে গিয়ে ছিলাম, ওখানে দেখি,ওনারা একজন ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে ৩ টা মিল চালাচ্ছেন, আর কোন ইঞ্জিনিয়ার নাই,প্রডাকশনের মেনেজার কেই মেইন্টেনেন্স এর মেনেজার হিসেবে দিয়ে রেখেসে, কারণ জানতে চাইলে বলে, ওনারা ভালো বিএস সি ইঞ্জিনিয়ার পাচ্ছেন না।শুধু এই একটা মিল ই না, এমন আরো অনেক মিল রয়েছে, যেগুলোর এই একই অবস্থা। এখানে, খুব তারাতারি GM হওয়ার সুযোগ আছে।কারন পদ গুলোতে দক্ষ টেকনিক্যাল লোক নেই। আর জাবের জোবায়ের গ্রুপের GM আমাদেরকে জানিয়েছেন, যে এই পদে যে চাহিদা, আগামি ২০ টা ব্যাচ টানা বের হলেও চাকরির অভাব হবে না।

উচ্চ শিক্ষা:

উচ্চ শিক্ষার সুজোগ বেশ ভালো,কেউ চাইলে মেকানিকাল এ ও এম. এস.সি. করতে পারবে এবং কোর্স ও সেই ভাবে করেই সাজানো হয়েছে। সবশেষে বলব টেক্সটাইল একটা প্রতিযোগিতাপুর্ণ সেক্টর। এখানে টিকে থাকতে হলে জানতে হবে।যে যত বেশি জানবে তার পারফরমেন্স তত ভাল হবে।জবে ফেসিলিটি ও ভাল পাবে। আর এই কাজ সহজ করতে পারে একমাত্র TMDM ডিপার্টমেন্ট, (যার নাম কিছু দিনের মধ্যেই পরিবর্তীত হয়ে TME ( TEXTILE MACHINE ENGINEERING) হবে।) কারন যেহেতু সব মেশিন সম্পর্কে জানা থাকবে, তাই অন্যের সেক্টরে গিয়ে ও খবরদারি করা যাবে এবং বিদেশিদের সাথেও পাল্লা দেয়া যাবে সমানে সমানে। আর সেই ব্রত নিয়েই দেশেই বহুমুখী প্রতিভাবান টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে TMDM তথা আমার প্রাণের প্রিয় BUTEX।

Comments

আরও দেখুন

লোহার জাহাজ ভাসে কেন ?

লোহার জাহাজ ভাসে কেন ? যদি বস্তুর ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল পদার্থের ওজনের চেয়ে বেশী হলে বস্তুটি তরলে ডুবে  যাবে এবং বস্তুর ওজনের চেয়ে বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল পদার্থের ওজন বেশী হলে বস্তুটি তরলে ভেসে থাকবে। তাহলে লোহার টুকরা পানিতে ভাসবে না কেননা লোহার টুকরা দ্বারা অপসারিত পানির ওজন লোহার টুকরার চেয়ে অনেক কম। লোহার জাহাজের ভিতরটা ফাঁপা বলে জাহাজ যে আয়তনের পানি অপসারণ করে তার ওজন জাহাজের ওজনের চেয়ে বেশী। তাই লোহার জাহাজ পানিতে ভাসে।     

ইসলামে তালাকের নিয়ম কি মেয়েদের জন্য ক্ষতিকর?

 না, ইসলামে তালাকের নিয়ম মেয়েদের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং এটি উভয় লিঙ্গের জন্য, বিশেষ করে নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি ব্যবস্থা। ইসলামে তালাক এমন একটি চূড়ান্ত পদক্ষেপ যা কেবলমাত্র অপরিহার্য পরিস্থিতিতেই অনুমোদিত। ইসলামে বিবাহ একটি পবিত্র বন্ধন এবং তা টিকিয়ে রাখার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তালাককে "আল্লাহর কাছে সবচেয়ে অপছন্দনীয় হালাল" বলে অভিহিত করা হয়েছে। ইসলামে তালাকের বিধান নারীদের প্রতি কোনো প্রকার বৈষম্যমূলক নয়, বরং তাদের কিছু বিশেষ অধিকারও রয়েছে। যেমন: খুলা: যদি একজন স্ত্রী তার স্বামীর সাথে থাকতে না চান এবং সম্পর্কের মধ্যে অসন্তুষ্ট থাকেন, তাহলে তিনি 'খুলা'-এর মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ চাইতে পারেন। এক্ষেত্রে তিনি স্বামীকে তার প্রদত্ত মোহর ফিরিয়ে দিতে পারেন বা অন্য কোনো শর্তে বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারেন। এটি নারীর স্বেচ্ছায় বিবাহ বন্ধন থেকে বেরিয়ে আসার একটি উপায়। কোর্ট বা সালিশের মাধ্যমে তালাক: যদি স্বামী তালাক দিতে রাজি না হয় বা স্ত্রীর উপর অবিচার করে, তবে স্ত্রী শরীয়াহ আদালত বা সালিশ বোর্ডের মাধ্যমে তালাক দাবি করতে পা...

তাহাজ্জুদের সিজদায় পড়ার বিশেষ দোয়া

 সিজদা হলো আল্লাহর সাথে বান্দার সবচেয়ে নিকটবর্তী হওয়ার মুহূর্ত। আর তাহাজ্জুদের সিজদা হলো সেই নৈকট্যের গভীরতম পর্যায়। যখন রাতের নিস্তব্ধতায় весь পৃথিবী ঘুমিয়ে থাকে, তখন একজন মুমিন তার প্রভুর সামনে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে। এই অন্তরঙ্গ মুহূর্তে কী বলে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলে তা সবচেয়ে সুন্দর হয়? চলুন, আমরা হাদিসের পাতা থেকে জেনে নিই এমন একটি বিশেষ দোয়া সম্পর্কে, যা স্বয়ং আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর তাহাজ্জুদের সিজদায় পাঠ করতেন। সেই রাতের ঘটনা: আয়েশা (রা.) যা দেখলেন উম্মুল মুমিনিন হযরত আয়েশা (রা.) এই দোয়াটির প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেছেন। হাদিসটি পড়লে সেই মুহূর্তের পবিত্রতা এবং রাসূল (সা.)-এর বিনয় অন্তরে অনুভূত হয়। তিনি বলেন, একদিন রাতে আমি ঘুম থেকে জেগে রাসূল (সা.)-কে বিছানায় পেলাম না। আমি ভাবলাম, তিনি হয়তো অন্য কোনো স্ত্রীর কক্ষে গিয়েছেন। আমি তাঁকে খুঁজতে লাগলাম। হঠাৎ আমার হাত তাঁর দুই পায়ের ওপর পড়ল। তিনি তখন সিজদারত ছিলেন এবং তাঁর পা দুটি খাড়া ছিল। সেই অবস্থায় তিনি বিনয়ের সাথে আল্লাহর কাছে এই দোয়াটি পাঠ করছিলেন। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৪৯৩; সহিহ ...

কেন তাহাজ্জুদ পড়বেন? জেনে নিন এর ৭টি অসামান্য গুরুত্ব ও ফজিলত

 গভীর রাতের নিস্তব্ধতায় যখন পুরো পৃথিবী ঘুমিয়ে পড়ে, তখন আপনার সামনে খুলে যায় আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক গোপন দরজা। সেই দরজার নাম ‘সালাতুত তাহাজ্জুদ’। এটি কেবল একটি নফল নামাজ নয়, বরং এটি মহান রবের সাথে একান্তে কথোপকথন, নিজের চাওয়া-পাওয়া তুলে ধরার এবং আত্মিক শক্তি অর্জনের এক বিশেষ মুহূর্ত। অনেকেই জানেন তাহাজ্জুদ পড়া অনেক সওয়াবের কাজ, কিন্তু এর গভীরে কী কী রহস্য ও গুরুত্ব লুকিয়ে আছে? চলুন, জেনে নিই এমন ৭টি কারণ যা আপনাকে তাহাজ্জুদ আদায়ে অনুপ্রাণিত করবে। ১. আল্লাহর সাথে সরাসরি কথোপকথনের সুযোগ দিনের ব্যস্ততায় আমাদের মন নানা দিকে বিক্ষিপ্ত থাকে। কিন্তু রাতের নিস্তব্ধতায় মন থাকে স্থির। এই সময়ে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের সবচেয়ে কাছে চলে আসেন। এটি শুধু কোনো আধ্যাত্মিক ধারণা নয়, বরং সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “আমাদের রব প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন: কে আছে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আছে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে তা দান করব? কে আছে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আমি তাকে ক্ষমা করে দেব?” (সহিহ বুখারি ও মুসলিম) ভা...

মেয়েদের কি বাইরে কাজ করার অনুমতি আছে?

 হ্যাঁ, ইসলামে মেয়েদের বাইরে কাজ করার অনুমতি আছে, তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে। ইসলামে নারীর প্রধান দায়িত্ব তার পরিবার ও সন্তানের প্রতি, তবে এর অর্থ এই নয় যে তারা বাইরের যেকোনো কাজ থেকে সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত। কুরআন বা সুন্নাহতে এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই যা নারীকে ঘর থেকে বের হয়ে কাজ করা থেকে বিরত রাখে। বরং, প্রয়োজনের তাগিদে বা সমাজের কল্যাণে নারীরা কাজ করতে পারেন। এর প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো, কাজের পরিবেশ ইসলামিক শরীয়াহ অনুযায়ী হতে হবে। অর্থাৎ, কর্মক্ষেত্রে পর্দা বজায় রাখতে হবে এবং বেপর্দা অবস্থায় পুরুষদের সাথে অবাধ মেলামেশা থেকে বিরত থাকতে হবে। নারী যখন বাইরে কাজ করেন, তখন তাকে অবশ্যই শালীন পোশাক পরিধান করতে হবে এবং এমনভাবে চলাফেরা করতে হবে যাতে ফিতনার সৃষ্টি না হয়। কর্মক্ষেত্রে পুরুষ সহকর্মীদের সাথে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কথা বলা বা হাসি-ঠাট্টা করা থেকে বিরত থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, কাজটি অবশ্যই হালাল হতে হবে। সুদভিত্তিক কোনো কাজ, মদ বা শূকরের মাংস সম্পর্কিত কোনো কাজ, অথবা এমন কোনো কাজ যা ইসলামের মৌলিক নীতির পরিপন্থী, তা নারীদের জন্য জায়েজ নয়। তৃতীয়ত, পরিবারের অধিকার ও দায়িত্ব যেন ক্...